Header Advertisement

Sobar Desh | সবার দেশ সবার দেশ প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০১:৪০, ২৮ মার্চ ২০২৫

বাংলাদেশের ইতিহাসে এক মাসে সর্বোচ্চ পরিমাণ রেমিট্যান্স

রেকর্ড রেমিট্যান্সে রিজার্ভ ২৫.৪৪ বিলিয়ন ডলার

চলতি মার্চ মাসে, দেশের প্রবাসী শ্রমিকরা ২৬ দিনে ২৯৪ কোটি ৫০ লাখ ডলার পাঠিয়েছেন, যা স্থানীয় মুদ্রায় (প্রতি ডলার ১২২ টাকা হিসেবে) ৩৫ হাজার ৯২৯ কোটি টাকার সমান। এটি বাংলাদেশের ইতিহাসে এক মাসে রেকর্ড পরিমাণ রেমিট্যান্স আসার ঘটনা।

রেকর্ড রেমিট্যান্সে রিজার্ভ ২৫.৪৪ বিলিয়ন ডলার
ফাইল ছবি

বাংলাদেশে প্রবাসী আয় বাড়ানোর ফলে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়ে ২৫ দশমিক ৪৪ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। বৃহস্পতিবার (২৭ মার্চ) বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী, চলতি মাসের ২৭ তারিখ পর্যন্ত দেশের মোট গ্রস রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২৫,৪৪০ দশমিক ৮৮ মিলিয়ন বা ২ হাজার ৫৪৪ কোটি ৮ লাখ ৮০ হাজার মার্কিন ডলার। পাশাপাশি, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)-এর বিপিএম-৬ হিসাব পদ্ধতির মাধ্যমে দেশের রিজার্ভ ২০,২৯৬ দশমিক ৯৩ মিলিয়ন বা ২ হাজার ২৯ কোটি ৬৯ লাখ ৩০ হাজার ডলার হিসেবে গণনা করা হয়েছে।

রেমিট্যান্সে রেকর্ড বৃদ্ধি

বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বৃদ্ধির অন্যতম প্রধান কারণ হচ্ছে দেশে আসা রেমিট্যান্সের পরিমাণ। চলতি মার্চ মাসে, দেশের প্রবাসী শ্রমিকরা ২৬ দিনে ২৯৪ কোটি ৫০ লাখ ডলার পাঠিয়েছেন, যা স্থানীয় মুদ্রায় (প্রতি ডলার ১২২ টাকা হিসেবে) ৩৫ হাজার ৯২৯ কোটি টাকার সমান। এটি বাংলাদেশের ইতিহাসে এক মাসে রেকর্ড পরিমাণ রেমিট্যান্স আসার ঘটনা, যা দেশের অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত ইতিবাচক ইঙ্গিত।

নেট রিজার্ভ বা প্রকৃত রিজার্ভের পরিমাণ গণনা করা হয় আইএমএফ-এর বিপিএম-৬ পরিমাপ অনুযায়ী, যা দেশের মোট রিজার্ভ থেকে স্বল্পমেয়াদি দায় বিয়োগ করে নির্ধারিত হয়। কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানিয়েছে, এটি দেশের বৈদেশিক মুদ্রার স্থিতিশীলতা ও সামষ্টিক অর্থনৈতিক সুস্থিতি নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

এছাড়া, অর্থনীতির উপর চাপ সৃষ্টিকারী বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ থাকা সত্ত্বেও, রিজার্ভের বৃদ্ধি বাংলাদেশের জন্য ইতিবাচক খবর হিসেবে এসেছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, প্রবাসী আয় ও রেমিট্যান্স বৃদ্ধি দেশের অর্থনীতির স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সহায়ক হবে এবং ভবিষ্যতে রিজার্ভের পরিমাণ আরও বাড়তে পারে।

এ পরিস্থিতি বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি উন্নয়ন সূচক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে, যা বৈদেশিক ঋণের পরিমাণ কমানোর পাশাপাশি দেশের বৈদেশিক মুদ্রার সঞ্চয়ের পরিমাণও বাড়িয়ে দিচ্ছে।

সবার দেশ/কেএম