Header Advertisement

Sobar Desh | সবার দেশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ০০:০১, ১ মার্চ ২০২৫

বাংলাদেশে রোজা শুরু ২ মার্চ

সৌদিতে রমজানের চাঁদ দেখা গেছে, শনিবার রোজা শুরু

এদিকে সৌদির সাথে মিল রেখে প্রতি বছরের মত এবছরও শ‌নিবার (১ মার্চ) থেকে রোজা রাখবেন ভোলার অন্তত ৫ হাজার মানুষ। মূলত, জেলার সাত উপজেলার বি‌ভিন্ন গ্রামের সুরেশ্বরী দরবার শরীফ ও সাতকা‌নিয়ার মির্জাখীল দরবার শরীফ এর অনুসারীরা ওইদিন থেকে রোজা রাখবেন।

সৌদিতে রমজানের চাঁদ দেখা গেছে, শনিবার রোজা শুরু
ছবি: সংগৃহীত

সৌদি আরবে রমজান মাসের চাঁদ দেখা গেছে। গতকাল শুক্রবার (২৮ ডিসেম্বর) আনুষ্ঠানিকভাবে দেশটি ঘোষণা করেছে, আজ পবিত্র রমজান মাসের চাঁদ দেখা গেছে। রমজান মাসের প্রথম দিন হবে শনিবার। নাগরিকদের চাঁদ দেখার আহ্বান জানানোর পরে দেশটির চাঁদ দেখা কমিটি এ ঘোষণা দিলো। দেশজুড়ে বেশ কিছু স্থান থেকে চাঁদ দেখার তথ্য স্থানীয় আদালতে জানানো হয়েছে।

পবিত্র রমজান মাসের চাঁদ দেখতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের কমিটিগুলো জড়ো হয়। ইতোমধ্যে আরও কিছু দেশ রমজানের তারিখ ঘোষণা করেছে।

ইন্দোনেশিয়ার ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, শুক্রবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) রমজান মাসের চাঁদ দেখা গেছে। ১ মার্চ থেকে রোজা শুরু হবে।

অস্ট্রেলিয়ান ফতোয়া কাউন্সিল ঘোষণা করেছে, জ্যোতির্বিজ্ঞানের গণনার ভিত্তিতে দেশটির মুসলমানরা ১ মার্চ থেকে পবিত্র মাস শুরু করবে।

এছাড়া ওমানের প্রধান কমিটির সালতানাত ঘোষণা করেছে, রমজানের চাঁদ দেখা গেছে। ১ মার্চ পবিত্র রমজান মাসের প্রথম দিন হবে।

এদিকে সৌদির সাথে মিল রেখে প্রতি বছরের মত এবছরও শ‌নিবার (১ মার্চ) থেকে রোজা রাখবেন ভোলার অন্তত ৫ হাজার মানুষ। মূলত, জেলার সাত উপজেলার বি‌ভিন্ন গ্রামের সুরেশ্বরী দরবার শরীফ ও সাতকা‌নিয়ার মির্জাখীল দরবার শরীফ এর অনুসারীরা ওইদিন থেকে রোজা রাখবেন।

রমজান ইসলামী ক্যালেন্ডারের নবম এবং মুসলমানদের জন্য সবচেয়ে পবিত্র মাস। বিশ্বের জনসংখ্যার প্রায় এক-চতুর্থাংশ মুসলমানদের জন্য এ মাসটি সংযম, ধর্মীয় প্রতিফলন, বর্ধিত প্রার্থনা, দান এবং সম্প্রদায়ের জন্য একটি বিশেষ সময়। মাসজুড়ে তারা ভোর থেকে সূর্যাস্তের মধ্যবর্তী সময়ে সমস্ত ধরণের খাদ্য ও পানীয় থেকে বিরত থাকেন।

রোজা ইসলামের পাঁচটি স্তম্ভের একটি এবং ধর্মের একটি মূল অংশজুড়ে এর বিস্তার রয়েছে। অন্য স্তম্ভগুলো হলো ঈমানের ঘোষণা, নামাজ, দান-খয়রাত বা যাকাত এবং হজে যাওয়া।

মুসলমানরা বিশ্বাস করে, রোজার মাধ্যমে তারা সৃষ্টিকর্তার সঙ্গে তাদের সম্পর্ককে শক্তিশালী করতে সক্ষম হয়। নামাজ পড়া, কুরআন তিলাওয়াত ও দান-খয়রাত করার মতো ইবাদত-বন্দেগিতে অংশ নিয়ে সময় ব্যয় করা হয় মাসজুড়ে।

দিনের আলোতে খাদ্য ও পানীয় থেকে বিরত থাকার ফলে মুসলমানরা সংযম অনুশীলন এবং তাদের বিশ্বাসের ওপর কাজ করার জন্য শক্তি কেন্দ্রীভূত করতে পারে। রোজা মুসলমানদের তুলনামূলক কম 'ভাগ্যবানদের' প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করতে এবং অভাবীদের প্রতি আরও সহানুভূতিশীল হতে শিক্ষা দেয়।

সবার দেশ/কেএম