ফেসবুক ফলোয়ার্স কাপে লাল-সবুজের দাপট, পেছনে পড়ে ব্রাজিলও
আর্জেন্টিনাকে উড়িয়ে চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ!

এ যেন এক ভিন্ন রকম বিশ্বকাপ, যেখানে মাঠ নেই, বল নেই, নেই কোনো রেফারিও। অথচ উত্তেজনা ছিলো চূড়ায়! সোশ্যাল মিডিয়া ফেসবুকে অনুষ্ঠিত ‘ফলোয়ার্স কাপ’-এ আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হলো বাংলাদেশ।
ফুটবলভিত্তিক জনপ্রিয় ওয়েবসাইট ট্রান্সফার মার্কেট আয়োজিত এ টুর্নামেন্টে অংশ নেয় বিশ্বের ৬৪টি দেশ। ফরম্যাট ছিল নকআউট। প্রতিটি রাউন্ডে ভোটের ভিত্তিতে জেতানো হতো দলকে। বাংলাদেশ প্রতিটি ম্যাচে প্রমাণ করেছে, তারা শুধু মাঠে নয়—মনেও রাজত্ব করে।
ফাইনালে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে লাল-সবুজের ঝড়
৪ এপ্রিল শুক্রবার ফাইনালে মুখোমুখি হয় বাংলাদেশ বনাম আর্জেন্টিনা। ম্যাচের মাধ্যম ছিল একটি ফেসবুক পোস্ট। বাংলাদেশের প্রতীক ছিল (লাভ), আর আর্জেন্টিনার প্রতীক (কেয়ার)।
ভোটযুদ্ধে শুরু থেকেই বাংলাদেশি নেটিজেনদের তীব্র সক্রিয়তায় ফেইসবুক রীতিমতো কাঁপতে থাকে। কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ‘লাভ’ রিয়্যাকশন গড়িয়ে যায় ৮ লাখের ওপরে। অপরদিকে আর্জেন্টিনা রীতিমতো ধরাশায়ী—মাত্র ১৬ হাজার কেয়ার।
পথচলায় হারিয়েছে ব্রাজিলকেও
বাংলাদেশের জয়ের রেকর্ড শুধু ফাইনালেই সীমাবদ্ধ নয়। রাউন্ড অব সিক্সটিনে হারিয়েছে ব্রাজিলকে, কোয়ার্টার, সেমিতে অন্যান্য হেভিওয়েট দেশও ছিল নকআউটে। প্রতিটি রাউন্ডে একক আধিপত্য নিয়ে এগিয়েছে লাল-সবুজের সৈন্যবিহীন সৈনিকেরা—বাংলাদেশের কোটি কোটি ফেসবুক ব্যবহারকারী।
প্রতিযোগিতার নিয়ম
প্রতিটি ম্যাচ ছিল ভোটনির্ভর।
রিয়্যাকশন দিয়েই নির্ধারিত হতো জয়ী।
বাংলাদেশের প্রতীক: (লাভ)
প্রতিপক্ষের প্রতীক: কেয়ার) বা (লাইক) ইত্যাদি।
ফেসবুকে বাংলাদেশ—নতুন এক শক্তি
এ জয়ে আবারও প্রমাণ হলো—বাংলাদেশের অনলাইন উপস্থিতি কতটা বিস্তৃত এবং সংঘবদ্ধ। নেট দুনিয়ায় এখন এক নতুন শক্তির নাম বাংলাদেশ। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে এমন ভোটযুদ্ধ বা ফ্যান-বেসড কনটেস্টে আগে থেকেই সোচ্চার ছিলো ভারতের নেটিজেনরা, এবার তাতে জমকালোভাবে যোগ দিল বাংলাদেশও।
বাংলাদেশ শুধু মাঠের বাইরেই নয়, মন জয় করেও দেখাতে পারে ‘বিশ্বজয়’। সোশ্যাল মিডিয়ায় এমন একাত্মতা ভবিষ্যতে বড় কোনো আন্তর্জাতিক ইভেন্টে বড় ভূমিকা রাখবে—এমনটিই আশা করছে সবাই।
এবার কি এমন কিছু দেখবে ফিফা, আইসিসি বা অলিম্পিক কমিটি? জানতে চোখ রাখুন ‘সবার দেশ’-এ।
সবার দেশ/কেএম